প্রকাশিত: ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ , ১০:০৩ এএম

অনলাইন সংস্করণ

#

চট্টগ্রাম বন্দর এলাকায় মিছিল-সমাবেশে নিষেধাজ্ঞা, নির্বাচনী সভা বহাল রাখল সিএমপি

চট্টগ্রাম বন্দরের আশপাশের এলাকায় সভা-সমাবেশমিছিলমানববন্ধন  যেকোনো ধরনের বিক্ষোভ কর্মসূচি নিষিদ্ধ করেছে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি)। একই সঙ্গে অস্ত্রলাঠিবিস্ফোরক দ্রব্যদাহ্য পদার্থ এবং ইট-পাথর বহন  ব্যবহারের ওপরও কঠোর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। 

শনিবার (৩১ জানুয়ারিরাত সাড়ে ১১টার দিকে সিএমপি কমিশনার হাসিব আজিজের স্বাক্ষরিত এক গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে  সিদ্ধান্ত জানানো হয়। গণবিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, চট্টগ্রাম বন্দর দেশের অর্থনীতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। আমদানি-রপ্তানির বড় একটি অংশ এই বন্দরের মাধ্যমে সম্পন্ন হয় এবং প্রতিদিন হাজার হাজার ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান, লরি অন্যান্য যানবাহন বন্দর এলাকার সড়ক ব্যবহার করে।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, বন্দর এলাকায় মিছিল বা অবরোধ কর্মসূচি হলে তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়, যার ফলে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমে বিঘ্ন ঘটে। এতে জাতীয় অর্থনীতির ক্ষতির পাশাপাশি নিরাপত্তা ঝুঁকিও তৈরি হতে পারে। কারণে জনশৃঙ্খলা সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ কমিশনারের আইনগত ক্ষমতাবলে এই নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে বলে জানানো হয়। নিষেধাজ্ঞার আওতাভুক্ত এলাকাগুলোর মধ্যে রয়েছেবারিক বিল্ডিং মোড়, নিমতলা মোড়, জেটি গেট, কাস্টমস মোড়, সল্টগোলা এবং বন্দর এলাকার গুরুত্বপূর্ণ সড়ক স্থাপনা।

এসব এলাকায় অস্ত্র, লাঠি, দাহ্য বিস্ফোরক দ্রব্যসহ ঝুঁকিপূর্ণ বস্তু বহন ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকবে। নির্দেশ অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করা হয়েছে। তবে সিএমপি জানিয়েছে, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন-২০২৬ উপলক্ষে রাজনৈতিক দলের প্রচার-প্রচারণা নির্বাচনী সভা-সমাবেশ এই নিষেধাজ্ঞার বাইরে থাকবে। পাশাপাশি বন্দর এলাকায় শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সবাইকে সচেতন থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটি ইজারা ইস্যুতে বিএনপিপন্থি শ্রমিক-কর্মচারীদের বিক্ষোভের ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনার পর কয়েকজনকে বদলি করা হয়। এর আগেও দুই দফায় বন্দর এলাকায় সাময়িকভাবে সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ করেছিল সিএমপি।

 

এসবিএন